কিয়ামতের দিন আল্লাহ তাআলার নিকট সর্বাপেক্ষা নিকৃষ্ট মানুষ
রাসূল (সা:) বলেছেন, কিয়ামতের দিন আল্লাহ তাআলার নিকট সর্বাপেক্ষা নিকৃষ্ট মানুষ হিসেবে তোমরা সেই লোককে দেখতে পাবে যে দুমুখো নীতি অবলম্বন করে । আর সে হল এমন লোক যে স্বার্থ সিদ্ধির উদ্দেশ্যে একদলের কাছে এক অবস্থায় আবার অন্যদলের কাছে আরেক অবস্থায় হাযির হয় । (সহীহ বুখারী:...
বিস্তারিত পড়ুনমন্দকে দূরকরো সর্বোত্তম পদ্ধতিতে ৷
“হে মুহাম্মদ (সা) ! মন্দকে দূর করো সর্বোত্তম পদ্ধতিতে ৷ তারা তোমার সম্পর্কে যেসব কথা বলে তা আমি খুব ভালো করেই জানি৷ আর দোয়া করো, ‘‘হে আমার রব! আমি শয়তানদের উস্কানি থেকে তোমার আশ্রয় চাই৷ এমনকি হে ! পরওয়ারদিগার, সে আমার কাছে আসুক এ থেকেও তো আমি তোমার আশ্রয় চাই”৷” সূরা আল-মু’মিণুনঃ...
বিস্তারিত পড়ুনআসসালামু আলাইকুম ” ” বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম
আমীরুল মু’মিনীন আবু হাফস্ উমার বিন আল-খাত্তাব রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু হতে বর্ণিত হয়েছে, তিনি বলেছেন- আমি রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি- সমস্ত কাজের ফলাফল নির্ভর করে নিয়্যতের উপর, আর প্রত্যেক ব্যক্তি যা নিয়্যত করেছে, তাই পাবে। সুতরাং যে ব্যক্তি আল্লাহ্ ও তাঁর রাসূলের জন্য হিজরত করেছে, তার হিজরত আল্লাহ্ ও তাঁর রাসূলের দিকে হয়েছে, আর যার হিজরত দুনিয়া...
বিস্তারিত পড়ুননাস্তিকদের প্রশ্নঃ আল্লাহ তাআলার স্রষ্টা কে? প্রশ্নটি যৌক্তিক না অবান্তর?
প্রশ্ন নাস্তিকরা প্রশ্ন করে থাকে যে, আল্লাহ তাআলাকে কে সৃষ্টি করেছে? এর জবাব কি? উত্তর بسم الله الرحمن الرحيم আল্লাহ তাআলা সব কিছু সৃষ্টি করেছেন। সব কিছুর স্রষ্টা যিনি তাকে আবার কে সৃষ্টি করবে? এটাতো বোকামীসূলভ প্রশ্ন। কারণ সৃষ্টি জগতে যা কিছু আছে সবই আল্লাহ তাআলাই সৃষ্টি করেছেন। তিনি সব কিছুর স্রষ্টা যখন, তখন তার আগেতো কেউ থাকতে পারে না। তার আগে কেউ না থাকায় তাঁকে কেউ সৃষ্টি করবে কিভাবে? তাকে...
বিস্তারিত পড়ুনআপনার প্রিয়জনদের কাছে পৌঁছে দিন ইসলামের শাশ্বত বাণী। হৃদয় থেকে হৃদয় উদ্ভাসিত হোক ঈমানের আলোকচ্ছটায়।
হযরত আবু হুরায়রা (রাঃ) বর্ণনা করেন, একবার এক বেদুঈন মসজিদে পেশাব করে দিল। লোকেরা তা দেখে তেড়ে এল। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাদেরকে থামিয়ে দিয়ে বললেন, তাকে ছেড়ে দাও এবং এক বালতি পানি ঢেলে স্থানটি ধুয়ে দাও। মনে রেখ, তোমাদেরকে সহজ- সাধ্যকারী হিসেবে পাঠানো হয়েছে, কাঠিন্য সৃষ্টিকারী হিসেবে নয়। {বুখারী, কিতাবুল উযূ, ১/৩৫} ##...
বিস্তারিত পড়ুন[->রাসুল সাঃ বলেছেন,
যে ব্য ক্তি দুই চোয়ালের মাঝের বস্ত (জিহ্বা) এবং দু’পায়ের মধ্য খানের (লজ্জা স্তান) হেফাজতের গ্য রান্টি দিবে, আমি তার জান্নাতের বেপারে গ্য রান্টি দেব, (-বুখারি-)...
বিস্তারিত পড়ুনইসলামের দৃষ্টিতে ধর্ষকের শাস্তি-মুফতি ইউসুফ সুলতান
বেশ কিছুদিন ধরে সংবাদপত্রে ধর্ষণের সংবাদগুলো গুরুত্ব পাচ্ছে। ফেইসবুক ও ব্লগাগুলোতেও বিষয়টি গুরুত্বের সাথে আলোচনায় আসছে। ভিন্ন শব্দ ও প্রকাশে সবার একটাই চাওয়া। ধর্ষককে কঠোর শাস্তির সম্মুখীন করা। এসব আলোচনা দেখে এ বিষয়ে ইসলামের দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে লেখার নিয়ত করেছি। আল্লাহর ওপর ভরসা রেখে শুরু করছি। ধর্ষণের সংজ্ঞা: উইকিপিডিয়া অনুযায়ী ধর্ষণ হলো: Rape is a type of sexual assault usually involving...
বিস্তারিত পড়ুন[*রাসূল [সা:] বলেছেন-
কোন ব্যক্তি জুম’আর দিন গোসল করল, অযু করে মসজিদে গেল এবং খুতবা শুনল, তার প্রতি কদমে এক বছরের নফল সালাত ও সিয়ামের সমান নেকি হয়। [আবু দাউদ -৩৭৩,মিশকাত...
বিস্তারিত পড়ুনমেহমানদেরকে সমাদর কর, ভালো কথা বল, না হয় চুপ থাক:
হযরত আবু হোরায়রা (রা:) হতে বর্ণিত, রাসূল (সা:) ইরশাদ করেছেন, যে ব্যাক্তি আল্লাহ ও পরকালের উপর ঈমান রাখে, সে অবশ্যই তার মেহমানকে সমাদর করবে । আর যে ব্যাক্তি আল্লাহ ও পরকালে বিশ্বাস রাখে, সে অবশ্যই তার আত্মীয়তার বন্ধন রক্ষা করবে । আর যে ব্যাক্তি আল্লাহ ও পরকালের প্রতি বিশ্বাস রাখে, সে ভালো কথা বলবে অথবা চুপ থাকবে । (বুখারী ও মুসলিম, রিয়াদুস সালেহীন:...
বিস্তারিত পড়ুনআল কুরআনে নারী : আল্লাহ দিলেন নারীর মর্যাদা, অধিকার ও নিরাপত্তা
وَإِذَا الْمَوْءُودَةُ سُئِلَتْ l بِأَيِّ ذَنْبٍ قُتِلَتْ যখন জীবন্ত প্রোথিত কন্যা সন্তানকে জিজ্ঞেস করা হবে;কোন্ অপরাধে তাকে হত্যা করা হয়েছিল।-সূরা তাকভীর, আয়াত : ৮-৯ এই আয়াতে নারীর বিষয়ে জাহেলী যুগের দৃষ্টিভঙ্গি ফুটে উঠেছে। সে সমাজে পুরুষ ও জীবজন্তুর মধ্যস্থলে ছিল নারীর অবস্থান। কন্যা সন্তানের জন্ম সেখানে ছিল অভিশাপ আর অপমানের বিষয়। যেন তা মহাপাপ বা স্থায়ী অমর্যাদার কারণ। অপমানবোধ আর...
বিস্তারিত পড়ুনরাসূল [সা:] বলেছেন
রাসূল [সা:] বলেছেন কোন ব্যক্তি সকাল সন্ধ্যায় যতবার মসজিদে যাতায়াত করে আল্লাহ্ তার জন্য জান্নাতে ততবার মেহমান ধারীর সামগ্রী তৈরি করে রাখেন [-বুখারী শরীফ-৬৬২-]...
বিস্তারিত পড়ুনমুমিনদের পারস্পরিক সম্পর্ক
ইসলামী সমাজব্যবস্থা আল্লাহর একত্বে বিশ্বাসী সমাজ। এ সমাজের সবাই একে অপরের সঙ্গে ভ্রাতৃত্বের বন্ধনে আবদ্ধ। একের প্রতি অপরের ব্যবহার হবে আন্তরিক, অনুভূতি হবে আপনজনের মতো। এক মুমিন অপর মুমিনের জীবন ও সম্মানের প্রতি মমত্ববোধ অনুভব করবে। অন্য মুমিনের ইজ্জতকে নিজের ইজ্জত বলে মূল্যায়ন করবে। ইসলামী সমাজ কেমন হওয়া উচিত। এ প্রশ্নের জবাব পাওয়া যায় মুসলিম শরিফের একটি হাদিসে। নোমান (রা.) থেকে বর্ণিত।...
বিস্তারিত পড়ুনখুলাফায়ে রাশেদিন কি বিদাত করেছিলেন? বিষয়- মুতাহ বিবাহ
بسم الله الرحمن الرحيم এক ভাই তার আর্টিকেল এ মিলাদ ও কিয়ামের স্বপক্ষে যুক্তি দিতে গিয়ে কথাগুলো বলল, ”নবী সাঃ জীবিত অবস্থায় যদি শরিয়াহর সব বিধি বিধান পূর্নাঙ্গ হয়ে থাকলে বা নবী সাঃ ওফাতের পর কোন কিছু যদি নতুন আবিষ্কার করার দরকার না হলে নবীজী সাঃ ওফাতের ১০ বছরের মধ্যে উমর রাঃ কর্তৃক প্রায় ১০০ বিদাআত প্রচলন করেছিলেন সে গুলোর ব্যাপারে কি বলবেন? উদাহরণ স্বরূপ- মোতাহ বিবাহ রদ, রাসুল সাঃ...
বিস্তারিত পড়ুনপ্রিয় ভাই -বোনেরা দয়া করে একটু পড়বেন। ইন শা আল্লাহ অনেক ফায়দা হবে।
শুরু করছি আল্লাহর নামে যিনি পরম করুণাময়, অতি দয়ালু। ১/ আলিফ লাম মীম। ذَٰلِكَ الْكِتَابُ لَا رَيْبَ ۛ فِيهِ ۛ هُدًى لِلْمُتَّقِينَ ২/ এ সেই কিতাব ( কোরআন) যাতে কোনই সন্দেহ নেই। পথ প্রদর্শনকারী পরহেযগারদের জন্য। এ কিতাবের অবতরন যে আল্লাহ পাকের নিকট থেকে এতে কোন সন্দেহের অবকাশ নাই। যেমন অন্য আয়াতে এসেছে (تَنْزِيلُ الْكِتَابِ لَا رَيْبَ فِيهِ مِنْ رَبِّ الْعَالَمِينَ) “এ কিতাবের অবতরন...
বিস্তারিত পড়ুনরাসুল (সাঃ)-এর মজলিস ছিল উম্মুক্ত
এক ব্যাক্তি ঢুকে বলল: : “আচ্ছা বলুন, কেয়ামত কবে হবে?’’ : “শোন তবে, কেয়ামত হবে তখন, যখন মানুষ ক্রমাগতভাবে তার আমানত এর খেয়ানত করবে।’’ লোকটি আবার জিজ্ঞেস করল, : “আমানতের খেয়ানত কখন ক্রমাগতভাবে শুরু হবে?’’ রাসুল (সাঃ) উত্তর দিলেন, : “যখন অযোগ্য ব্যক্তিদের উপর দায়িত্ব দেয়া শুরু হবে আর যখন অযোগ্য ব্যক্তিরা শাসন কাজ চালাবে ও নেতৃত্বে চলে আসবে।’’ [বুখারী]...
বিস্তারিত পড়ুন

